খুলনার বাসিন্দা মো. জাহিদুল ইসলাম পেশায় একজন ছোট ব্যবসায়ী। বয়স ৩২, ক্রিকেটের প্রতি তার আগ্রহ ছোটবেলা থেকেই। ২০২৩ সালের শুরুতে তিনি প্রথমবার Crickex 11-এ অ্যাকাউন্ট খোলেন, তখন কেবল কৌতূহলের বশে। শুরুতে মাত্র ৳১,০০০ ডিপোজিট করেছিলেন।
প্রথম পদক্ষেপ এবং শেখার পর্যায়
জাহিদুল জানান, শুরুতে তিনি এলোমেলোভাবে বাজি ধরতেন। কখনো জিততেন, কখনো হারতেন। তবে Crickex 11-এর লাইভ স্ট্যাটিস্টিক্স প্যানেল এবং ম্যাচ বিশ্লেষণ সেকশন দেখে তিনি বুঝতে পারেন যে বেটিং আসলে শুধু ভাগ্যের খেলা নয়, এখানে তথ্য ও কৌশলও কাজ করে।
"প্রথম দিকে আমি জানতামই না কোন দলের পিচ কন্ডিশন কেমন, কোন ব্যাটসম্যান কোন বোলারের বিরুদ্ধে ভালো করেন। Crickex 11-এর ডেটা দেখে ধীরে ধীরে শিখেছি। এখন বাজি ধরার আগে ৩০ মিনিট গবেষণা করি।"
– মো. জাহিদুল ইসলাম, খুলনা
কৌশল পরিবর্তনের পর ফলাফল
দ্বিতীয় মাস থেকে তিনি শুধুমাত্র বাংলাদেশ ঘরের মাঠে খেলে এমন ম্যাচগুলোতে মনোযোগ দেন। পিচ রিপোর্ট, দলীয় গঠন ও সাম্প্রতিক ফর্ম যাচাই করে বাজি ধরা শুরু করেন। একই সাথে তিনি ইন-প্লে বেটিং ব্যবহার করতে শেখেন, যেখানে ম্যাচের প্রথম কয়েক ওভার দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া যায়।
তৃতীয় মাসে তার নেট জয় ছিল ৳৩৫,০০০। চতুর্থ মাসে ৳৫২,০০০। IPL ২০২৬ সিজনে তিনি মোট ৳১.৮ লাখ জিতেছেন এবং সব টাকা বিকাশের মাধ্যমে সরাসরি তুলে নিয়েছেন।
Crickex 11 কেন বেছে নিলেন?
জাহিদুল বলেন, অনেক সাইট ব্যবহার করেছেন আগে, কিন্তু Crickex 11-এর মতো দ্রুত উইথড্র আর কোথাও পাননি। বিকাশে টাকা চাওয়ার পরে সর্বোচ্চ ২০ মিনিটে পেয়েছেন। এছাড়া বাংলায় কাস্টমার সাপোর্ট পাওয়া যায়, যেটা অন্য অনেক সাইটে নেই।